জীববিজ্ঞান/প্রাণিবিজ্ঞান/উদ্ভিদ বিজ্ঞান ডেমোনস্ট্রেটর বা প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি

Table Of Contents
  1. জীববিজ্ঞান/প্রাণিবিজ্ঞান/উদ্ভিদ বিজ্ঞান ডেমোনস্ট্রেটর বা প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি

জীববিজ্ঞান/প্রাণিবিজ্ঞান/উদ্ভিদ বিজ্ঞান ডেমোনস্ট্রেটর বা প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি

জীববিজ্ঞান ল্যাবরেটরির অণুবিক্ষন যন্ত্র

সরল মাইক্রস্কোপ ১০ গুণ (10x) বর্ধিত করা যায়। তবে 300X পর্যন্ত দেখা যায়।
যৌগিক মাইক্রোস্কোপ – ১০০০ গুণ (1000x) বর্ধিত করা যায়। তবে 2,000X পর্যন্ত দেখা যায়।
ইলেক্ট্রোন মাইক্রোস্কোপ- ২০০ ন্যনোমিটার এর থেকে ছোট বস্তু দেখতে ব্যবহার করা হয়।
অণুবিক্ষন যন্ত্রের লেন্স এর পাওয়ার- অনুবিক্ষন যন্ত্রের লেন্স উত্তল লেন্স। এর পাওয়ার সচারাচর 4x , 10x , 40x

জীববিজ্ঞান ল্যাবরেটরির রঞ্জক পদার্থ

ক্রিস্টাল ভায়োলেট- কোষ প্রাচীর রং করতে ব্যবহার করা হয়।
ইয়োসিন (লাল)- সাইটোপ্লাজমের অঙ্গাণু ও টিস্যু রং করতে ব্যবহার করা হয়। পিয়াজের শল্কপত্র ও অ্যামিবা রঞ্জিতকরণে ব্যবহৃত হয়। এর প্রভাবে করা হলুদাভ-লাল বর্ণ ধারণ করে।
হেমাটোজাইলিন/হিমাটোক্সিলিন- নিউক্লিয়াস রং করতে ব্যবহার করা হয়

স্যাফ্রানিন- গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া রং করতে। উদ্ভিদ টিস্যু রং করতে ব্যবহার করা হয়। সাইটোপ্লাজমের অঙ্গাণু ও টিস্যু রং করতে ব্যবহার করা হয়। কোষের লিগনিন, সুবেরিন, কিউটিন ও কাইটিনযুক্ত অংশকে গাঢ় লাল রঙে রঞ্জিত করে।
অ্যাসিটোকারমিন-(গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক এসিড+কারমিন+ফেরিক ক্লোরাইড) ক্রোমোজোম অধ্যায়নে ব্যবহার করা হয়। ক্রোমোজোম রঞ্জিতকরণে ব্যবহৃত হয়।
ফাস্ট গ্রীন- মাইটোকন্ড্রিয়া সনাক্ত করা যায়।
আয়োডিন দ্রবণ(পটাসিয়াম আয়োডাইড) -শৈবাল রঞ্জিতকরণ এবং শ্বেতসারের উপস্থিতি প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

জীববিজ্ঞান ল্যাবরেটরির রাসায়নিক উপাদান

FAA বা ফরমালিন-অ্যাসিটো- অ্যালকোহল- শৈবাল ও ছত্রাক ছাড়া অন্যান্য সব উদ্ভিদই এই দ্রবণে সংরক্ষণ করা যায়।
ফরমালিন- ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ। বড় প্রাণিদেহলে সংরক্ষন করতে ব্যবহার করা হয়।
অ্যালকোহল- টিস্যু থেকে পানি অপসারন করা হয়। জীবাণুমুক্ত করা হয়। জাইলিন পরিষ্কার করে। প্রোটোজোয়ান প্রাণী সংরক্ষন করা হয়।
জাইলিন- টিস্যু থেকে পানি অপসারন করা হয়।
গ্লিসারিন- অস্থায়ী স্লাইড তৈরির পর প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
ল্যাকটোফেনল-কটন ব্লু- ছত্রাক মাউন্টিং করতে ব্যবহার করা হয়।
ক্লোরফর্ম- কোন প্রাণিকে অজ্ঞান করতে ব্যবহার করা হয়।

জীববিজ্ঞান ল্যাবরেটরির যন্ত্র

সেন্ট্রিফিউগাল যন্ত্র- দ্রবণের উপাদান পৃথক করা হয়।
হিমোসাইটোমিটার- রক্ত কণিকা গোনা যায়।
মাইক্রোমিটার- টিস্যুকে মোমের ভেতর রেখে মাইক্রোমিতার মাপে কাটা হয়
স্ফিগমোম্যানোমিতার- রক্তচাপ মাপা হয়।
ক্যামেরা লুসিডা- আণুবিক্ষণিক প্রাণির ছনি বড় করে কাগজে ফেলে সেটা হাতে আকানো যায়।

প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি ব্যাসিক আলোচনা

কোন দিকে কোন প্রাণি ব্যবচ্ছেদ করা হয়- মেরুদন্ডি প্রাণির বুকের দিকে ও অমেরুদণ্ডি প্রাণির পিঠের দিকে ব্যবচ্ছেদ করতে হয়।
প্রাণিদেহের তল- ভেন্ট্রাল তল হলো বুকের দিক একে অংকীয় তল ও বলে। ডর্সাল তল হল পিঠের দিক একে পৃষ্ঠীয় তল ও বলে।
প্রতিসাম্যতা-
আঁইশ- টাকি মাছের মাথায় টিনয়েড আইশ ও দেহে সাইক্লোয়েড আইশ থাকে
পুচ্ছ পাখনা-
মাছের ব্যাসিক-

প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি উদ্ভিদ বিজ্ঞান অংশ

কোষ- উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদ কোষ ও নিম্ন শ্রেণির প্রাণি কোষে সেন্ট্রিওল নেই। উচ্চ শ্রেণির প্রাণীকোষ ও নিম্ন উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রিওল আছে।
উদ্ভিদ কোষে কোষ প্রাচীর ও প্লাস্টিড আছে প্রাণি কোষে নাই।

মাইটোসিস কোষ বিভাজন ধাপ- ক্রমোসোম সবচেয়ে খাটো ও মোটা দেখায় মেটাফেজ। ক্রোমোসোম নৃত্য দেখা যায় প্রোমেটাফেজ ধাপে। স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টি হয় প্রোমেটাফেজ ধাপে। প্রাণিকোষ এর ক্ষেত্রে স্পিন্দল যন্ত্রের দুই মেরু থেকে অয়াস্টার রে বিকিরিত হয় সেন্ট্রিওল থাকার কারণে। ক্রোমোসোম বিষুবীয় অঞ্চলে জড়ো হয় মেটাফেজ ধাপে। এনাফেজ ধাপে ক্রোমোসোম মেরুর দিকে ধাবিত হ। V-মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম L- সাব-মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম J- অযাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম I- টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম

দইয়ে কোন ব্যাকটেরিয়া থাকে- দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়া- Loctobacillus lactis এবং ব্যাকটেরিয়া- Streptococus lactis

শৈবাল (Ulothrix) বৈশিষ্ট্য-

১) অণুবীক্ষণযন্ত্রে প্রদত্ত নমুনাটি লম্বা সূত্রাকার, অশাখ ও সবুজ বর্ণের।
২) এর কোষগুলো এক সারিতে প্রান্তলগ্নভাবে সজ্জিত।
৩) কোষ প্রাচীর পুরু, তিন স্তর বিশিষ্ট। কোষে একটি সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে এবং নিউক্লিয়াসটিকে বেস্টন করে গার্ডেল আকৃতির ক্লোরোপ্লাস্ট উপস্থিত।
৪) কোষ পিপাকৃতির, দৈর্ঘ্যের তুলনায় প্রস্থে বড়।
৫) ক্লোরোপ্লাস্টে একাধিক পাইরিনয়েড বিদ্যমান।
৬) সূত্রের নিচের কোষটি বর্ণহীন, সরু হোল্ডফাস্টে পরিণত।

Malvaceae গোত্রের বৈশিষ্ট্য

কাণ্ড- কাষ্ঠল, উপরের কচি অংশ নরম, গোলাকার, বা পিচ্ছিল পদার্থযুক্ত।
পাতা- সরল, সবৃন্তক, মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্রযুক্ত, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র, প্রান্ত করাতের ন্যায় খণ্ডিত বা ক্রকচ, বহুশিরাল জালিকা শিরাবিন্যাসযুক্ত, একান্তর।
পুষ্পবিন্যাস- একক, কাক্ষিক।
ফুল- মঞ্জুরীপত্রবিহীন, সবৃন্তক, সম্পূর্ণ, উভলিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, গর্ভপাদপুষ্পী, পঞ্চাংশক, উজ্জ্বল লাল, পিচ্ছিল পদার্থযুক্ত।
বৃতি- বৃত্যংশ ৫টি, যুক্ত, ঘণ্টাকৃতি, প্রান্তস্পর্শী, উপবৃত্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত, উপবৃতির অংশগুলোর সংখ্যা ৫ – ৮।
দলমণ্ডল- পাপড়ি ৫টি, মুক্ত কিন্তু গোড়ার দিকে পুংকেশরীয় নলের সাথে সামান্য যুক্ত, পাকানো, উজ্জ্বল লাল।
পুংস্তবক
পুংকেশর- অসংখ্য, যুক্ত, একগুচ্ছ, পুংদণ্ডগুলো মিলিত হয়ে একটি ফাঁপা পুংকেশরীয় নল গঠন করে, পরাগধানী বৃক্কাকার, একপ্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, পৃষ্ঠলগ্ন, পরাগরেণু বড় ও কণ্টকিত, দললগ্ন।
স্ত্রীস্তবক- গর্ভপত্র ৫টি, যুক্তগর্ভপত্রী, গর্ভাশয় অধিগর্ভ, ৫- প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, প্রতিটি প্রকোষ্ঠে অনেকগুলো ডিম্বক থাকে, অমরাবিন্যাস অক্ষীয়, গর্ভদণ্ড দীর্ঘ, সুতার ন্যায় সরু এবং পুংকেশরীয় নলের ভিতর দিয়ে প্রসারিত, গর্ভমুণ্ড ৫টি, মুণ্ডাকার।
ফল- গঠিত হয় না।

Malvaceae গোত্রের পুষ্প সংকেত

একবীজপত্রী মূলের বৈশিষ্ট্য-

১। মূলত্বক – একসারি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত সবচেয়ে বাইরের স্তর। কিছু কিছু ত্বক কোষ বাইরের দিকে প্রসারিত হয়ে এককোষী মূলরোম-এর পরিণত হয়। কিউটিকল অনুপস্থিত।
২। কর্টেক্স – এটি মূলত্বকের নিচে গোলাকার বা ডিম্বাকার প্যারেনকাইমা কোষের বহুস্তরযুক্ত অঞ্চল। কোষগুলোর মাঝে সুস্পষ্ট আন্তঃকোষীর ফাঁক থাকে। পরিণত কচুর মূলের কর্টেক্স বায়ুপ্রকোষ্ঠ দেখা যায়।
৩। অন্তঃত্বক- কর্টেক্সের সবচেয়ে ভেতরের এই স্তরটি একসারি পিপাকৃতি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। কোষগুলোর অরীয় প্রাচীর ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপসযুক্ত। অন্তঃত্বক কেন্দ্রীয় স্টিলিকে বলয়াকারে বেষ্টন করে রাখে।
৪। পরিচক্র – এটি অন্তঃত্বকের ঠিক নিচে অবস্থিত একটি বলয়াকার স্তর। কোষগুলো ক্ষুদ্র ও পাতলা প্রাচীরযুক্ত।
৫। যোজক টিস্যু – জাইলেম ও ফ্লোয়েম গুচ্ছের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত বহু ভুজাকার প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত অঞ্চল।
৬। ভাস্কুলার বান্ডল – ৭টি জাইলেম ও ফ্লোয়েমগুচ্ছ অরীয়ভাবে সজ্জিত। জাইলেম এক্সার্ক অর্থাৎ মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে অবস্থিত।
৭। মজ্জা: কেন্দ্রস্থলে প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত সুস্পষ্ট ও সুগঠিত মজ্জা থাকে।

একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের বৈশিষ্ট্য-

(১) ত্বক বা এপিডার্মিস : পিপাকৃতি একসারি পারেনকাইমা কোষ দিয়ে ত্বক গঠিত। এর বাইরের দিকে রয়েছে কিউটিকল।
(২) অধঃত্বক বা হাইপোডার্মিস : ত্বকসংলগ্ন এবং ভিতরের দিকে অবস্থিত দু’তিন সারি স্ক্লেরেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।
(৩) ভিত্তিটিস্য বা আদিটিস্যু: অধঃত্বক থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত আন্তঃকোষীয় ফাঁকযুক্ত প্যারেনকাইমাকে আদিটিস্যু বলে। এতে ভাস্কুলার বান্ডলগুলো বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থান করে।
(৪) ভাস্কুলার বান্ডল: আদিটিস্যুতে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত অসংখ্য ভাস্কুলার বান্ডল রয়েছে। এগুলো সংযুক্ত, সমপার্শ্বীয় এবং বদ্ধ। পরিধির দিকে অবস্থিত ভাস্কুলার বান্ডল ছোট ও সংখ্যায় বেশি; কিন্তু কেন্দ্রেরগুলো সংখ্যায় কম হলেও আকারে বড়। প্রতিটি বান্ডলের চারদিকে আছে একটি স্ক্লেরেনকাইমার আচ্ছাদন। জাইলেম ও ফ্লোয়েম ভাস্কুলার বান্ডলের প্রধান উপাদান।
(ক) জাইলেম: জাইলেম ভেসেলগুলো- Y এর মত বিন্যস্ত। Y-এর দুবাহু মোটাজাইলেম এবং দণ্ড প্রোটোজাইলেমে গঠিত।
(খ) ফ্লোয়েম : Y-এর দুবাহুর মাঝখানে এবং উপরের দিকে এটি অবস্থিত।

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলের বৈশিষ্ট্য-

১। মূলত্বক বা এপিরেমা- একস্তরবিশিষ্ট প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত মূলত্বক মূলের সবচেয়ে বাইরের স্তর। এর কয়েকটি কোষ লম্বা হয়ে এককোষী মূলরোম গঠন করেছে।
২। কর্টেক্স- মূলত্বকের নিচ থেকে শুরু করে অন্তঃত্বক পর্যন্ত বিস্তৃত বহুস্তরযুক্ত গোল বা ডিম্বাকার প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে এটি গঠিত। এতে আন্তঃকোষীর ফাঁক রয়েছে।
৩। অন্তঃত্বক বা এন্ডোডার্মিস- কর্টেক্সের নিচে চক্রাকারে অবস্থিত পিপাকৃতির একসারি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে এ স্তর গঠিত।
৪। পরিচক্র বা পেরিসাইক্ল- আন্তঃত্বকের ঠিক নিচে একসারি প্যারেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।
৫। ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ- পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ অরীয়। জাইলেমগুচ্ছের সংখ্যা ফ্লোয়েমগুচ্ছের সংখ্যার সমান এবং এরা ব্যাসার্ধের উপর পর্যায়ক্রমে সাজানো আছে। এখানে চারটি জাইলেমগুচ্ছ এবং চারটি ফ্লোয়েমগুচ্ছ থাকে। প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থান করে।
৬। মজ্জা রশ্মি- জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর মধ্যবর্তী প্যারেনকাইমা কোষের স্তরকে মজ্জারশ্মি বলে।
৭। মজ্জা- খুব ছোট এবং প্যারেনকাইমা কোষ নিয়ে গঠিত।

কারণসহ শনাক্তকরণ:

(১) কিউটিকল- বিহীন মূলত্বকে এককোষী মূলরোম রয়েছে।
(২) ভাস্কুলার বান্ডল অরীয়।
(৩) কর্টেক্স বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত নয়।
(৪) প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত।
(৫) পেরিসাইক্স একস্তরবিশিষ্ট।
সুতরাং নমুনাটি মূল।
(৬) চারটি জাইলেমগুচ্ছ এবং চারটি ফ্লোয়েমগুচ্ছ দেখা যায়। জাইলেম নালিকাগুলো বহু কোণ বিশিষ্ট। –
(৭) মজ্জা অত্যন্ত ছোট।

  • সুতরাং নমুনাটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূল।

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের অন্তর্গঠন

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য

১ । এপিডার্মিস- এটি কিউটিকলে আবৃত এবং একসারি প্যারেনকাইমা কোষে গঠিত স্তর। এখান থেকে বহুকোষী রোম বের হয়।
২। কর্টেক্স- এর স্তরটি নিম্নলিখিত তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত:
ক) হাইপোডার্মিস- আন্তঃকোষীয় ফাঁকাবিহীন ৪-৫ সারি কোলেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।
খ) সাধারণ কর্টেক্স- অধঃত্বকের নিচে ২-৩ সারি প্যারেনকাইমা কোষে এটি গঠিত। এসব কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা যায়।
গ) এন্ডোডার্মিস- একসারি পিপাকৃতির প্যারেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।
৩। স্টিলি- একে নিম্নবর্ণিত অঞ্চলে পৃথক করা যায়।
(ক) পেরিসাইকেল- অন্তঃত্বকের ঠিক নিচে কয়েক সারি স্ক্লেরেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।
খ) ভাস্কুলার বান্ডল- এটি সংযুক্ত, সমদ্বিপার্শ্বীয়, মুক্ত এবং দুটি বলয়ে বিন্যস্ত; বাইরের বলয়ে ছোট এবং ভেতরের বলয়ে বড় ভাস্কুলার বান্ডল উপস্থিত।
গ) মজ্জা রশ্মি- দুটি ভাস্কুলার বান্ডেলের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত প্যারেনকাইমা কোষগুলোকে মজ্জারশ্মি বলে।
ঘ) মজ্জা- কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বড় বড় প্যারেনকাইমা কোষে এটি গঠিত।

কারণসহ শনাক্তকরণ

প্রদত্ত নমুনাটিতে-
১) ত্বক কিউটিকল ও বহুকোষী রোমযুক্ত।
২) অধঃত্বক বিদ্যমান।
৩) ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত, সমদ্বিপার্শ্বীয় ও মুক্ত।
৪) জাইলেম এন্ডার্ক অর্থাৎ মোটাজাইলেম পরিধির দিকে এবং প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত।

  • অতএব এটি কাণ্ড।
    ৫) বহুকোষী ত্বকরোম বিদ্যমান।
    ৬) অধঃত্বক কোলেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত।
    ৭) ভাস্কুলার বান্ডলের সংখ্যা সীমিত এবং বৃত্তাকার সজ্জিত।
    ৮) জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝে ক্যাম্বিয়াম থাকে।
    ৯) কেন্দ্রস্থলে বৃহৎ মজ্জাগহ্বর বর্তমান।
  • অতএব এটি দ্বিবীজপত্রী কাণ্ড।
    পাতার গঠন-
    শ্বসন-

প্রদর্শক পদের ভাইভা প্রস্তুতি প্রাণিবিজ্ঞান অংশ

প্রধান পর্বগুলোর সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য-
বৈজ্ঞানিক নাম-
হাইড্রা-
ঘাসফড়িঙ-
মুখপাঙ্গ-
পরিপাকতন্ত্র-
অ্যাফারেন্ট ও ইফারেন্ট ফুলকা ধমনি-
মাছের ফুলকা-
মাছের পটকা-
পাকস্থলী,ক্ষুদ্রান্ত্র,যকৃত,ফুসফুস,অগ্নাশয়ের স্থায়ী স্লাইড পর্যবেক্ষণ-
কঙ্কালতন্ত্র-
পেশি-

Leave a Comment