এন্ডােপ্লাজমিক রেটিকুলাম এর গঠন ও কাজ।

এন্ডােপ্লাজমিক রেটিকুলাম পরিণত কোষের সাইটোপ্লাজমে যে জালিকা বিন্যাস দেখা যায় তাকে এন্ডােপ্লাজমিক রেটিকুলাম বা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকা বলা হয়। আবিষ্কার পাের্টার এবং তাঁর সঙ্গীরা (১৯৪৫) সর্বপ্রথম যকৃত কোষে এটি আবিষ্কার করেন। উৎপত্তি সাইটোপ্লাজমীয়ােঝিল্লী, নিউক্লিয়ােঝিল্লী অথবা কোষ ঝিল্লী হতে এদের উৎপত্তি। অবস্থান অধিকাংশ কোষে এ অঙ্গাণু পাওয়া যায়। তবে যকৃত, অগ্ন্যাশয় এবং অন্তঃকলা কোষে বেশি থাকে। এন্ডােপ্লাজমিক …

Read more

মাইটোকন্ড্রিয়া এর ভৌত ও রাসায়নিক গঠন। মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ।

মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের বেশিরভাগ শক্তি উৎপাদনকারী শক্তিঘর নামে পরিচিত অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে। মাইটোকন্ড্রিয়া হলাে প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে। তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপাের্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। আবিষ্কার কলিকার (১৮৫০) সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। …

Read more

জেনেটিক কোড কী? জিনেটিক কোডের বৈশিষ্ট্য।

জেনেটিক কোড কী? কোড হলাে গােপন বার্তা বা গােপন সংকেত। আমরা সকলে জানি যে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্য এক বংশধর থেকে পরবর্তী বংশধরে স্থানান্তরিত হয়। এক ধরনের কোড তথা গােপন সংকেতের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যের এ স্থানান্তর ঘটে। বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এ কোডকে বলা হয় জেনেটিক কোড। DNA তে এ কোড অবস্থান করে। DNA এর নিউক্ৰিয়ােটাইড এ চার …

Read more

জিন কী? জিনের বৈশিষ্ট্য। জিনের কাজ।

জিন প্রকৃতপক্ষে জীবেরকোষ গঠন ও নিয়ন্ত্রণে যাবতীয় তথ্য ধারণ করে এবং পরবর্তী প্রজন্মে এ সমস্ত তথ্য স্থানান্তর করে। প্রত্যেকটি জীবেরপ্রতিটি ক্রোমােসােমে অনেকগুলাে জিন থাকে যারা ভিন্ন ভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এর মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্যতাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান (যেমন- মানুষের চোখের রং, ফুলের রং ইত্যাদি), কিছু বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান নয় (যেমন- রক্তের গ্রুপ), আবার কিছু বৈশিষ্ট্য লুক্কায়িত (যেমন- …

Read more

ক্লোরােপ্লাস্ট এর ভৌত ও রাসায়নিক গঠন। ক্লোরােপ্লাস্ট এর কাজ।

ক্লোরােপ্লাস্ট সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরােপ্লাস্ট। উদ্ভিদের জন্য ক্লোরােপ্লাস্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গাণু। আবিষ্কার শিম্পার ১৮৮৩ সালে সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ করেন এবং নাম দেন ক্লোরােপ্লাস্ট। উৎপত্তি নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে পুরানাে ক্লোরােপ্লাস্ট বিভাজনের মাধ্যমে নতুন ক্লোরােপ্লাস্ট এর সৃষ্টি হয়। উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদে আদি প্লাস্টিড থেকে এদের উৎপত্তি হয়। আদি প্লাস্টিড ০.৫ মাইক্রোমিটার ব্যাসবিশিষ্ট …

Read more