এপিস্ট্যাসিস (Epistasis) কী? এপিস্ট্যাসিস এর প্রকারভেদ।

এপিস্ট্যাসিস (Epistasis)

সাধারণত প্রকট জিন এর উপস্থিতিতে হেটারােজাইগােটে এর প্রচ্ছন্ন অ্যালিলের বৈশিষ্ট্য অপ্রকাশিত থাকে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ক্রোমােসােমের ভিন্ন ভিন্ন লােকাসে অবস্থিত দুটি জিন জীবের একই অঙ্গ বা বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং এক লােকাসে অবস্থিত অন্য একটি জিন এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা প্রদান করে।

ভিন্ন ভিন্ন লােকাসে অবস্থিত জিন ইন্টারঅ্যাকসনের এ প্রক্রিয়ায় বাধা প্রদানকারী জিনকে এপিস্ট্যাটিক(epistatic) বা বাধক জিন এবং বাধাগ্রন্থ জিনটিকে হাইপােস্ট্যাটিক (hypostatic) জিন বলে।

ভিন্ন ভিন্ন লােকাসে অবস্থিত নন-অ্যালিলিক (non-allelic) জিন যখন অন্য জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধাদান করে তখন এ প্রপঞ্চকে (phenomenon) এপিস্ট্যাসিস বলা হয়।

এপিস্ট্যাসিস এর প্রকারভেদ

এপিস্ট্যাসিস প্রকৃতপক্ষে ৪ প্রকার। যথা- প্রকট এপিস্ট্যাসিস, প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস, ডুপ্লিকেট প্রকট এপিস্ট্যাসিস,ডুপ্লিকেট প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস।

প্রকট এপিস্ট্যাসিস (Dominant Epistasis)

একই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী ক্রোমােসােমের এক লােকাসে অবস্থিত কোন প্রকট জিন যদি ক্রোমােসােমের অন্য লােকাসে অবস্থিত অন্য একটি প্রকট জিন এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে তা হলে এ প্রক্রিয়াকে প্রকট এপিস্টাসিস বলে। প্রকট এপিস্ট্যাসিসের কারণে মেন্ডেলের ২য় সূত্রের ফিনােটাইপিক অনুপাত ৯ঃ৩ঃ৩ঃ১ পরিবর্তিত হয়ে ১৩ঃ৩ অনুপাতে প্রকাশ পায়।

এপিস্ট্যাসিস (Epistasis) কী? এপিস্ট্যাসিস এর প্রকারভেদ।

Leave a Comment